স্টোরি অফ এ শিপ রেকড সেইলর -গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ
Skip to content
Shahriar Alam Rakib Blogs Feature Image
Home » স্টোরি অফ এ শিপ রেকড সেইলর -গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ

স্টোরি অফ এ শিপ রেকড সেইলর -গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ

রিভিউ-
স্টোরি অফ এ শিপ রেকড সেইলর
গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ
ভাষান্তর-বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য
পৃষ্ঠা-৭৭

বইয়ের কভারটা দেখে ,আর খনিকটা পড়ে অ্যাডভেঞ্চারাস টাইপের কোন উপন্যাস মনে হয়েছিল। গার্সিয়া মার্কেজের গল্পের সাথে আগে থেকেই পরিচিত ছিলাম, তাই তার লেখা এ ধরণের উপন্যাস দেখে বেশ অবাকই হয়েছিলাম। অনেকটা ‘লাইফ অফ পাই’ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এ উপন্যাসের প্লট নেয়া হয়ছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে , জাহাজ থেকে সমুদ্রে পড়ে ভেসে যাওয়া এক নাবিকের ইন্টারভিউ এর উপর ভিত্তি করে।আর ইন্টারভিউ নিয়েছেন গার্সিয়া মার্কেজ নিজেই। নানা প্রতিকূলতার কারণে ১৫ বছর পর বই আকারে প্রকাশিত হয় সেই নাবিকের জবানবন্দী।

মার্কেজের এই উপন্যাসটি শুধু প্রতিকূল সমুদ্রের বুকে এক নাবিকের সংগ্রামের গল্পই নয় , বেঁচে ফেরা সেই নাবিকের বীরত্ব নিয়ে বাণিজ্য হওয়ার গল্প । ১৯৫৫ সালে আলবামার মবিল উপকূল থেকে মেরামতের কাজ শেষে দেশের উদ্যেশে রওনা দিয়েছে সামরিক জাহাজ ক্যাডলাস।দেশের কাছাকাছি এসে ঝড়ের কবলে পরলে জাহাজ থেকে গল্পের নায়ক ভেলাসকো সহ ভেসে যায় আর সাতজন নাবিক,ভেসে যায় দুইটি লাইফবোট। অনেক কষ্টে একটা লাইফবোটে উঠতে সক্ষম হয় ভেলাসকো, শুরু হয় শুধুই বেঁচে থাকার সংগ্রাম।

কয়েকদিন খোঁজাখুজির পর ভেসে যাওয়া আটজন নাবিককেই মৃত ঘোষনা করা হয় ।অশেষ প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করে অবশেষে ভেলাসকো ডাঙার দেখা পায়।
ভেলাসকো ঘোষিত হয় বীর হিসেবে ।করতালি আর জয়মাল্যে ভেসে যায় ভেলাসকো।রেডিও টেলিভিশনে টানা হ্যাঁচড়া শুরু হয় তাকে নিয়ে।

এরপর শুরু হয় ভেলাসকোর বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিয়ে বাণিজ্য।
সমেদ্রের পানি ভেলাসকোর ঘড়ির কোন ক্ষতি করতে পারে নি ভেলাসকোকে মডেল বানিয়ে শুরু হয় ঘড়ির কোম্পানির বাণিজ্য। তীব্র ক্ষুদায় ভেলাসকো তার জুতোর সোল কামড়ে খেতেও ব্যর্থ হয়,টেকসই জুতার গুনগাণে শুরু হয় জুতার বাণিজ্য। ধীরে ধীরে এই বীরের জীবন অসহ্য হয়ে ওঠে ভেলাসকোর কাছে।কেউ কেউ এটাও বলতে শুরু করে সমুদ্রের পুরো দশদিনের অভিজ্ঞতা নাকি ভেলাসকোর অলীক কল্পনা।

গার্সিয়া মার্কেজের এই উপন্যাসটা ভীষন্ সমুদ্রে টিকে থাকা মানুষটির সভ্যতার কাছে হেরে যাওয়ার গল্প।
[গল্পের একটা জায়গায় খটকা আছে,-ঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজ স্টারবোর্ড(ডান) সাইডে কাৎ হয়ে গেলে লাউড স্পীকারে নাবিকদের পোর্ট(বাম) সাইডে দাঁড়িয়ে তাদের নিজেদের ভারে জাহাজ সোজা করার নির্দেশ আসে। নাবিকদের সামান্য ওজনে জাহাজ সোজা করার ব্যাপারটা অতি অসম্ভব মনে হয়েছে আমার কাছে।]

রিভিউ করেছেনঃ Zishan Mahmud Avi

Read More: Top 5 Freelancing Skills to Learn for Beginners

For Bengali Book Review Please Visit: Boier Feriwala

Leave a Reply

Your email address will not be published.

x